ডেটা কমিউনিকেশন কি?

What is data communication?

ডেটা-কমিউনিকেশন-কি?

কোনো ডেটাকে নির্ভরযোগ্যভাবে একস্থান থেকে অন্যস্থানে কিংবা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে স্থানাšতর কিংবা একজনের ডেটা অন্য সবার নিক ট বিতরণ করার প্রক্রিয়াকে ডেটা কমিউনিকেশন বলা হয়। ডেটা কমিউনিকেশনকে অনেক সময় কম্পিউটার কমিউনিকেশনও বলা হয়। কারণ বর্তমানে অধিকাংশ তথ্যই কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে কিংবা কম্পিউটার ও এর টার্মিনালসমূহের মধ্যে স্থানান্তর হয়।

ডেটা কমিউনিকেশনের উপাদান সমূহ:-

১.            ডেটা বা তথ্য (Information)

২.           তথ্যের উৎস (Information Source)

৩.           তথ্য প্রেরক (Transmitter)

৪.           কমিউনিকেশন চ্যানেল বা মাধ্যম (Medium)

৫.           প্রাপক (Receiver)

৬.           গন্তব্য (Destination )

৭.    প্রটোকল (Protocol)

ডেটা-কমিউনিকেশন-কি

ডেটা কমিউনিকেশনের উপাদান সমূহের বর্ণনা নি¤েœ আলোচনা করা হলো।

১.   ডেটা বা তথ্য (Information)  : যোগাযোগের জন্য প্রথম যে জিনিসটি দরকার তাহলো ডেটা বা তথ্য। কমিউনিকেটকৃত ডেটা বা তথ্য হতে পারে শব্দ, অক্ষর, সংখ্যা , ছবি, ইমেজ ইত্যাদি।

২.  তথ্যের উৎস (Information Source) : যে ডিভাইস হতে ডেটা পাঠানো হয় তাকে উৎস বলে। উৎস ডেটা বা তথ্য বহন করে এবং জেনারেট করে। যেমন কম্পিউটার , টেলিফোন ইত্যাদি।

৩.  তথ্য প্রেরক (Transmitter)  : প্রেরক যন্ত্র উৎস হতে ডেটা নিয়ে কমিউনিকেশন মাধ্যমে পাঠায়। প্রেরক যন্ত্র ডেটা বা তথ্যকে ট্রানসফরম (Transform) এবং এনকোড (encode)  করে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক সিগনাল (Electromagnetic)  তৈরি করে, যা ট্রান্সমিশন সিস্টেমের মধ্যদিয়ে ট্রান্সমিট হতে পারে। যেমন- কম্পিউটার থেকে ডিজিটাল ডেটাকে প্রেরক যন্ত্র অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে টেলিফোন নেটওয়ার্কের মধ্য দিয়ে ট্রান্সমিট করে।

এইরূপে কম্পিউটার , টেলিফোন, ট্যাব, মোবাইল ইত্যাদি হতে ডেটা নিয়ে প্রেরক যন্ত্র কমিউনিকেশন মাধ্যমে পাঠায়। যেমন – মডেম, রাউটার ।

৪.  কমিউনিকেশন চ্যানেল বা মাধ্যম (Medium)  : যার মধ্য দিয়ে ডেটা একস্থান থেকে অন্য স্থানে যায় তাকে কমিউনিকেশন চ্যানেল বা মাধ্যম বলে। ইলেক্ট্রনিক ডেটা কমিউনিকেশনে মাধ্যম হিসেবে টেলিফোন লাইন, তার, রেডিও ওয়েভ, মাইক্রোওয়েভ, স্যাটেলাইট প্রভৃতি ব্যবহার করা হয়।

৫.  প্রাপক (Receiver)  : প্রাপক ট্রান্সমিশন সিস্টেম থেকে আগত সিগন্যালকে গ্রহণ করে এবং ডেটাকে গন্তব্যের উপযোগী করে তোলে। উদাহরণস্বরূপ একটি  Modem ট্রান্সমিশন মাধ্যম থেকে অ্যানালগ সিগন্যাল গ্রহণ করে তাকে ডিজিটালে রূপান্তর করে গন্তব্যে পাঠায়।

৬. গন্তব্য (Destination) : প্রাপক থেকে পাঠানো ডেটা সর্বশেষ যার কাছে এসে পৌঁছে তাকে গন্তব্য বলে। গন্তব্যের ডিভাইসগুলোর মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার, সার্ভার, Speaker, Television ইত্যাদি।

৭.   প্রটোকল (Protocol) বা নিয়ম-নীতি : প্রটোকল হলো একগুচ্ছ নিয়ম নীতি। ডেটা কমিউনিকেশন সিষ্টেমে কমিউনিকেশন ডিভাইসগুলো সর্বদা প্রটোকল মেনে চলে। এই প্রটোকল ছাড়া ডেটা কমিউনিকেশন সম্ভব নয়। বিভিন্ন ধরনের কমিউনিকেশন প্রটোকল প্রচলিত রয়েছে। যেমন- টিসিপি/আইপি (TCP/IP), হাইপার টেক্্রট ট্রান্সফার প্রটোকল (HTTP) , ফাইল ট্রান্সফার প্রটোকল (FTP), ইত্যাদি।
















ডেটা-কমিউনিকেশন-কি

Related term :

ব্যান্ডউইডথ বলতে কি বুঝায়?